অল্পসময়ে স্বল্প খরচে ঘুরে আসতে পারেন পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে ।

সাগরের বুকে অস্তমিত সূর্যের ম্রিয়মান আলোর রূপ দেখতে যাদের ভাল লাগে,সমুদ্রের অপার সৌন্দর্য্য যাদেরকে হাতছানি দিয়ে ডাকে,বুক ভরে নিতে চান বিশুদ্ধ বাতাস,তাঁরা অল্পসময়ে স্বল্প খরচে ঘুরে আসতে পারেন পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে। সাগরের হৃদয় উত্তাল করা ঢেউ আর বাতাস আপনার বুকের ভিতর জমে থাকা কষ্ট ভুলিয়ে দিবে খুব সহজেই।চট্টগ্রাম শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পপতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র, যা কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত প্রস্থে খুব বেশি নয় তাই এখানে সমুদ্রে সাঁতার কাটা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সৈকতের ভাঙ্গন ঠেকাতে কংক্রিটের দেয়াল এবং বড় বড় সিমেন্টের তৈরি ব্লক রাখা হয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত জুড়ে।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত আশেপাশে পর্যটকদের জন্য বেশকিছু রেস্টুরেন্ট এবং খাবারের দোকান স্থাপিত হয়েছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বাতির ব্যবস্থা করায় রাতের বেলা পর্যটকদের নিরাপত্তা অনেকটা নিশ্চিত হয়েছে। সমুদ্র সৈকতটি রক্ষাণাবেক্ষণ করায় সৌন্দর্য এখন আগের থেকে অনেকটা সুন্দর হয়েছে। জোয়ারের সময় ঢেউয়ের আঁচড় নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে।

  • সন্ধ্যার দিকে সূর্যাস্তের দৃশ্য যেকোন মানুষের মনকে অনেক বেশি পুলকিত করে। সুতরাং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকতে পারেন। এখানে ২০ টাকার বিনিময়ে ঘোড়ার পিঠে চড়তে পারবেন। সেই সাথে আছে স্পিডবোড কিংবা কাঠের তৈরি নৌকাতে করে বেড়ানোর সুযোগ আছে ।শাহ আমানত বিমান বন্দর, বিএনএস ঈশা খান ও চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি খুব কাছাকাছি হওয়ায় আলাদা করে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আছে বার্মিজ মার্কেট। এই মার্কেট থেকে পছন্দের ছোটখাট কেনাকাটা সেরে নিতে পারবেন ।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে যেকোন ধরণের বিপদ কিংবা অভিযোগ করতে পারবেন বন্দরে থাকা ভ্রাম্যমাণ পুলিশ ফাঁড়িতে।স্পীডবোড, নৌকা, ঘোড়ায় চড়ার আগে অবশ্যই ভাড়া ঠিক করে নিবেন। কারণ এখানে প্রায় সবাই ঠকানোর চেষ্টা করে পর্যটকদের। সৈকতের বেশি উত্তর দিকে একা একা হাঁটতে না যাওয়াই ভালো।

ঢাকা থেকে আকাশপথ, সড়কপথ ও রেলপথে যেতে পারবেন চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম শহরের এ কে খান কিংবা জিইসি থেকে খুব সহজে যেতে পারেন পতেঙ্গা সৈকতে। সি-বিচ লেখা বাসগুলোতে চেপে বসলেই হবে।

Facebook Comments
(Visited 28 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: