১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, বুধবার

মেয়েকে সুখে রাখার লোভে মেয়ের বান্ধবীকে বিয়ে! অতঃপর…

আপডেট: জুলাই ২৮, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মেয়েকে সুখে রাখার লোভে নবম শ্রেণী ছাত্রীর বাবা ফারুক ময়মনসিংহের নান্দাইলে একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মিজানুর রহমান মিন্টু (৪৫)র সাথে বিয়ে দেন।নান্দাইল উপজেলার বীরখামটখালি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র মিজানুর রহমান মিন্টু তাঁরই মেয়ের বান্ধবী বীরখামটখালি জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী লিমা আক্তার এর সাতে বুধবার রেজিস্ট্রারী ছাড়াই মুন্সী দিয়ে দোয়া পড়িয়ে বিয়ে করে ঘরে তুলে নিয়ে যায়।

স্থানীয় একটি সূত্রে জানা গেসে , মিজানুর রহমান মিন্টু স্থানীয় বাজারে একটি ওষুধের দোকান রয়েছে তাঁর। দেড় মাস আগে হঠাৎ করে মিন্টুর স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে মারা যায়। এরপর থেকেই পল্লী চিকিৎসক বিয়ে করার জন্য কন্যা খোঁজাখুজি শুরু করে, একপর্যায়ে বাড়ির পাশের মো. ফারুক মিয়ার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে ও তাঁর (মিন্টুর) মেয়ের বান্ধবী লিমা আক্তারের দিকে চোখ পড়ে। তাকে বিয়ের জন্য পরিবারের কাছে প্রস্তাব পাঠান ।  প্রতিবেশীরা বলেন, মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং বান্ধবীর বাবার সাথে প্রথমে বিয়েতে রাজি ছিল না কনের পরিবার। পরে একসময় লিমার পরিবার মিন্টুর সাথে
বিয়ে দিতে রাজি হই।

স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়,গত রোববার নিজ গ্রামেই বিয়ের আয়োজন করা হলে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে বিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাশের খারুয়া ইউনিয়নের জামতলা এলাকায় মেয়ের মামার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাল্যবিয়ে হচ্ছে এ খবর পাওয়ার পর সেখানেও স্থানীয় ইউপি সদস্য এসে বাদা দেন।পরদিন সকালে হুজুর ডেকে গোপনে নিবন্ধন ছাড়াই বিয়ে পড়িয়ে দেয়।এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান মিন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কাজি দিয়ে বিয়ে নিবন্ধনের কথা অস্বীকার করে বলেন, যা হওয়ার তো হয়েছে। এখন আর কী করা আজ না হোক কাল তো হবেই।  নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে দ্যাখা হয়েছে।প্রতিবেশীরা জানায়, মঙ্গলবার থেকেই লোক চক্ষুর আড়ালে বর-কনে বাড়ির একটি কক্ষে অবস্থান করছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
%d bloggers like this: